আশুলিয়া থানা দিন বিশমাইল চেক পোস্টে ডিউটি অবস্থায় এস আই সুবাহান চেক পোস্টে ৩ হাজার টাকা এক ভুক্তভোগী যুবকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন, না না রাজি হলে ‘ থানায় নেওয়ার হুমকি।

দেশজুড়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে সাধারণ তরুণদের আটকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং টাকা দাবি করার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

টাকা না দিলে তরুণদের চালান করে দেওয়া ও ‘জেলের ভাত’ খাওয়ানোর হুমকি দেওয়ার ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

ভুক্তভোগী তরুণদের অভিযোগ, চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনরত তানভীর নামের এক পুলিশ সদস্য তাদের গতিরোধ করে এবং কোনো কারণ ছাড়াই ৩ হাজার টাকা দাবি করেন।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের থানায় নিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, ভুক্তভোগী এক তরুণ বলছেন,
“আমাদের কাছে তিন হাজার টাকা চাইছে। না দিলে চালান করে দিবে।”

আরেক ভুক্তভোগী তরুণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাদের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে, অথচ তার আগেই তাদের মিথ্যা অভিযোগে জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য তানভীরকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি প্রথমে টাকা চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

তিনি দাবি করেন, রাতের বেলা ওই এলাকায় ছিনতাইয়ের ঝুঁকি থাকায় তিনি কেবল তরুণদের সতর্ক ও তল্লাশি করছিলেন।

তবে ভুক্তভোগী তরুণরা সরাসরি তানভীরের সামনেই তাদের অভিযোগে অনড় থাকেন।

জানা গেছে, উক্ত চেকপোস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন আশুলিয়া থানার বিতর্কিত এসআই সুবাহান।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই চেক পোস্টে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে অটো রিক্সাওয়ালার কাছ থেকে ৫০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিদিন চাঁদা নেয়া হচ্ছে
এমন অভিযোগের ভিডিও আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
তার সামনেই ফোর্সের এক সদস্য এমন কাণ্ড ঘটালেও তিনি বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পরবর্তীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি জানান, তার সামনে টাকা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে বিভিন্ন চেকপোস্টে সাধারণ মানুষকে এভাবে হয়রানি ও ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা ঘটছে।

এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *