শ্রীমঙ্গলে অবসরে গেলেন ৫৩ শিক্ষক, পেলেন সম্মাননা।

দেশজুড়ে

বাবলু আচার্য্য, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ- অদ্য ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোজঃ-শনিবার
মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ৫৩ জন শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন প্রধান শিক্ষক ও ৪০ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।

একই অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত ছয়জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন—পূরবী দেবী, অলক পাল, সর্বানী রানী দেব, লায়লা নূর, নজরুল ইসলাম ও একরামুল কবীর।
উপজেলা পরিষদের হলরুমে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিছুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজারের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশলয় চক্রবর্তী, বিএনপি শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. নুরুল আলম সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দীন জারু।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার বৈদ্য। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অয়ন চৌধুরী, সরকারি শিক্ষিকা রেখা রানী সিং, প্রধান শিক্ষক সমিতির মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জহর তরফদার, সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ দেব ও সম্পাদক খন্দকার জাকির হোসেন।

প্রধান অতিথি মো. আনিছুর রহমান বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পথে নিয়ে গিয়ে তাঁদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁদের অবদান কখনো অবসর নেওয়ার নয়।

বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা শুধু শ্রেণীকক্ষে পাঠদান করেন না, শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও গড়ে তোলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বিদায়ী শিক্ষকরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের অবদান সমাজ ও রাষ্ট্রে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *