বাবলু আচার্য্য মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ-অদ্য ১০ই অক্টোবর রোজঃ-বৃহস্পতিবারশ্রীমঙ্গলের রগুুনাথপুর কালীবাড়িতেপ্রতি বৎসর এর ন্যায় এবার ও অনুষ্ঠিত হল কুমারীপুজাকুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা। বিশেষ আকর্ষণ থাকে এই কুমারী পূজায়।
অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস– এই পাঁচ উপকরণে দেওয়া হয় ‘কুমারী’ মায়ের পূজা। অর্ঘ্য দেওয়ার পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য।
শ্রী রামকৃষ্ণের কথামতে, কুমারী পূজার বিষয়ে বলা হয়েছে, শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর রূপ বেশি প্রকাশ পায় এবং মাতৃরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার উদ্দেশ্য।
শাস্ত্র মতে, মানববন্দনা, নারীর সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ঈশ্বরের আরাধনাই কুমারী পূজার শিক্ষা। এই বিশ্বাসেই হিন্দু ধর্মের মানুষেরা কুমারীকে দেবীদুর্গা হিসেবে আরাধনা করেন অষ্টমীতে।
সাধক রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বহু বছর আগে নিজের স্ত্রী সারদা দেবীকে মাতৃজ্ঞানে যে পূজা করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় কুমারী পূজা হয়ে আসছে।
